বয়স (০-১২ মাস) অনুযায়ী আপনার শিশুর ওজন ঠিক আছে তো?

বয়স (০-১২ মাস) অনুযায়ী আপনার শিশুর ওজন ঠিক আছে তো?

(আনুমানিক পড়ার সময় ২ মিনিট)

শিশুর ওজন দেখে বোঝা যায় তার দৈহিক বৃদ্ধি স্বাভাবিক হচ্ছে কি না। নবজাতকের ভূমিষ্ঠকালীন ওজন* প্রথম সপ্তাহে কমে এবং ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত ওজন স্থির থাকে। এরপর অল্প অল্প করে ওজন বাড়তে থাকে। প্রথম ৩ মাসে প্রতিদিন গড়ে ওজন বাড়ে ২৫-৩০ গ্রাম করে। পরবর্তী মাসগুলোতে কিছুটা কম হারে ওজন বাড়তে থাকে, ৩-১২ মাস বয়স পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে ওজন বাড়ে ৪০ গ্রাম করে। ৫-৬ মাস বয়সে শিশুর ওজন জন্মকালীন ওজনের দ্বিগুণ হয় আর এক বছর বয়সে তিন গুণ হয়। তবে জন্ম ওজনের পার্থক্যের কারণে একই বয়সী দুটি শিশুর ওজনের কিছু তারতম্য ঘটতে পারে। সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টি পেলে ওজন স্বাভাবিক হয়ে যায়।

*বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় জন্ম নেয়া নবজাতকের গ্রহণযোগ্য ওজন ২.২৫ কেজি (৪.৯৭ পাউন্ড) হতে ৪.২৫ কেজি (৯.৩৭ পাউন্ড), তথ্য সুত্র – উইকিপিডিয়া

শিশুর ওজন নেয়ার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবেঃ

  • শিশুর গায়ে যেন যথাসম্ভব কম জামা কাপড় থাকতে হবে।
  • জুতো – স্যান্ডেল খোলা থাকতে হবে।
  • ওজন মাপার সময় শিশুর যেন ওজন মাপক যন্ত্র ছাড়া অন্য কোন বস্তুকে স্পর্শ না করে।
  • ওজন মাপার আগে নিক্তির বা স্কেলের মান শূন্যে রয়েছে কি না তা ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

ওজন মাপার পদ্ধতিঃ

ছোট শিশুদের জন্য ওজন মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা যায়। ওজন মাপার যন্ত্র না থাকলে, শিশুকে একটি বড় পাত্রে বসিয়ে পরিস্কার ম্যানুয়াল বা ডিজিটাল নিক্তি / পাল্লা দিয়েও শিশুর ওজন মাপা যায়।

বড় শিশুদের জন্য সাধারণত বাথরুম স্কেল ব্যবহার করা যায়, যদিও এ স্কেল সঠিক ওজন দেয় না কারণ এই স্কেলে একটি দাগ ১০০ গ্রাম বোঝায় যা খুবই বেশি।

পরামর্শঃ

  • জন্মের পর থেকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি মাসে শিশুর ওজন নেয়া উচিত।
  • যদি পরপর দুইমাস শিশুর ওজন না বাড়ে সেক্ষেত্রে খেয়াল করতে হবে শিশুর যথাযথ যত্নের অভাব বা স্বাস্থ্যগত কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

দেখে নিন আপনার সন্তানের সঠিক বিকাশ হচ্ছে কিনা? https://www.childgrowthcalculator.com/

Percentile কী? https://en.wikipedia.org/wiki/Percentile

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী বয়স (০-১২ মাস) ভিত্তিক শিশুর আদর্শ দৈহিক ওজন পরিসীমা উপড়ের চিত্রে।

Leave a Reply

×

Cart