প্যারেন্টিং টিপসঃ ৯-১২ মাস বয়সী শিশু

প্যারেন্টিং টিপসঃ ৯-১২ মাস বয়সী শিশু

(আনুমানিক পড়ার সময় ১ মিনিট ১৫ সেকেন্ড)   

শিশুদের আত্ম-সম্মান এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে, আপনার সন্তানের শেখার প্রক্রিয়া এবং কাজের প্রতি সর্বদা একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখান। “না”, “খারাপ”, ” ভালো নয়” না বলে বরং “হ্যাঁ”, ” ভালো “, “খুব ভালো” বলার চেষ্টা করুন। নয় থেকে বার মাস (১ বছর) বয়সী শিশুর সঠিক প্যারেন্টিং নিশ্চিত করার জন্য মা-বাবারা নিচের টিপসগুলো প্রয়োগ করে দেখুন।

১. আপনার শিশুর সাথে লুকোচুরি খেলুন এবং দেখুন যে তিনি আপনার লুকানো জিনিসগুলি খুঁজে পায় কিনা। আপনি কোনও কাপড়ের নীচে কিছু লুকিয়ে রাখতে পারেন এবং বলতে পারেন: “এটি কোথায় গেল?”, সন্তানকে বলুন “তুমি কি এটি খুঁজে বের করতে পারবে?”। আপনার সন্তানের কৌতূহল সৃষ্টি হবে এবং জিনিসটির কি হয়েছে তা সন্ধান করার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠবে।

২. আপনার শিশুকে বিভিন্ন জিনিস এবং লোকের নাম বলুন। শিশুকে আগ্রহী করে তুলুন। দেখবেন আপনার শিশু শীঘ্রই নাম এবং বস্তু বা মানুষের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করবে।

৩. আপনার সন্তানকে কীভাবে হাতের ইসারা সহকারে বলতে হয় দেখান। এর একটি উদাহরণ হতে পারে “বাই বাই”। দেখবেন শীঘ্রই আপনার সন্তান আপনাকে অনুকরণ করে মুখে “বাই বাই” এবং সাথে সাথে হাত নাড়ার চেষ্টা করবে। এতে করে শিশু শব্দ এবং অঙ্গভঙ্গির মধ্যে সংযোগ বুঝতে এবং করতে শিখবে।

৪. আপনার সন্তানকে একটি পুতুলের চোখ, নাক এবং মুখ দেখান। পুতুলের একটি অঙ্গ দেখানোর পরে, নিজের এবং আপনার শিশুর একই অঙ্গটি স্পর্শ করুন। আপনার সন্তানকে দিয়ে পুতুলের, আপনার এবং তার নিজের চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ করান। আস্তে আস্তে, আপনার শিশু বিভিন্ন অঙ্গ এবং তাদের নামের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করতে পারবে এবং নাম শুনে অঙ্গগুলো সনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

সুত্র – ইউনিসেফ ও অন্যান্য

Leave a Reply

×

Cart