প্যারেন্টিং টিপসঃ ১-২ বছর বয়সী শিশু

প্যারেন্টিং টিপসঃ ১-২ বছর বয়সী শিশু

(আনুমানিক পড়ার সময় ১ মিনিট)   

বাচ্চারা (টডলার) বিশেষ খুশি হয় যখন তারা দেখে যে তারা তাদের আশেপাশের প্রাপ্তবয়স্কদেরও খুশি করতে পারছে। ১-২ বছর বয়সী শিশুর সঠিক প্যারেন্টিং নিশ্চিত করার জন্য মা-বাবারা নিচের টিপসগুলো প্রয়োগ করে দেখুন।

১. আপনার সন্তানকে কিছু জিনিশ ও পাত্র বা বাক্স দিন। জিনিসগুলো পাত্রে রাখতে এবং বের করতে দিন। এটি শিশুর হাত ও চোখের সমন্বয়ে কিছু করার দক্ষতাকে বিকশিত করবে।

২. আপনার সন্তানকে স্তুপ করার জন্য কিছু জিনিস দিন। তাকে জিনিসগুলো স্তুপ করতে এবং ভাঙ্গতে দিন। নতুবা ততক্ষণ পর্যন্ত স্তুপ করতে দিন যতক্ষণ না স্তুপটি একা একা ভেঙ্গে পরে।

৩. আপনার শিশুকে সাধারণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন এবং সে কথা বলতে চাইলে তাতে সারা দিন। দেখবেন সে উত্তর দেওয়ার এবং / অথবা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করবে।

৪. আপনার শিশুর সাথে প্রকৃতি, চিত্র, আশেপাশের জিনিস এবং পরিবেশ নিয়ে কথা বলুন। শিশুকে চারপাশে ঘোরাফেরা করতে দিন দেখবেন সে আশেপাশের জিনিস এবং পরিবেশের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠছে।   

৫. আপনার বাচ্চা কি করে তা দেখুন এবং বলুন। যেমন “তুমি বাক্সটি পূরণ করছো”। সে কাজটি করতে পেরে খুশি হবে এবং কনফিডেন্স পাবে।

৬. আপনার টডলারের সাথে খেলুন। তাকে বলুন “আসো এটি একসাথে করি। তাকে বলুন “দেখো এখানে আরও জনিস রয়েছে যা আমরা বাক্সে রাখতে পারি”। এতে করে সে আনন্দিত ও উদ্যমী হয়ে উঠবে।

৭. শিশুকে খাওয়ানো, স্নান করানো এবং তার পাশে অন্য কোন কাজ করার সময় তার সাথে কথোপকথন চালু রাখুন। সে শীঘ্রই আপনার কথা বুঝতে এবং আপনার নির্দেশনা অনুসরণ করতে সক্ষম হবে।

৮. সাধারণ প্রশ্নগুলিকে খেলায় পরিণত করুন। যেমন ” বলতো তোমার পায়ের আঙ্গুলগুলো কোথায়?” বা “দেখো পাখিটি কোথায়?”। শিশুকে একটি ছবি দেখান এবং ছবিতে কি কি দেখা যাচ্ছে বলুন। দেখবেন সে আরও শুনতে কৌতূহলী হয়ে উঠছে এবং সে যা দেখছে তা বলার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

সুত্র – লেখাঃ ইউনিসেফ ও অন্যান্য এবং ছবিঃ ইমেজেসবাজার।

Leave a Reply

×

Cart