প্যারেন্টিং টিপসঃ নবজাতক

প্যারেন্টিং টিপসঃ নবজাতক

(আনুমানিক পড়ার সময় ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড)

সন্তান জন্মের পর থেকে তার মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, শারীরিক ইত্যাদি বিষয়ে অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিশুকে সাহায্য ও সহযোগিতা করাই হচ্ছে প্যারেন্টিং। পূর্বে আমাদের দেশে প্যারেন্টিং খুব বেশি গুরুত্ব না পেলেও বর্তমানে খুবই অত্যাবশ্যকীয় বিষয় হিসেবে আধুনিক মা-বাবার নিকট বিদিত। প্রতিটি খাবারের ৭৫% পর্যন্ত আপনার শিশুর মস্তিষ্ক তৈরিতে কাজ করে। ৩ বছর বয়সের মধ্যে আপনার সন্তানের মস্তিষ্কের ৮০% এর চাইতে বেশি গঠিত হয়ে যায়। প্রতিটি আলিঙ্গন, প্রতিটি চুম্বন, প্রতিটি পুষ্টিকর খাবার এবং প্রতিটি খেলা আপনার বাচ্চার মস্তিষ্ক তৈরি করতে সহায়তা করে।

আপনার শিশুকে জীবনের সেরা সূচনা দেওয়ার জন্য কয়েকটি টিপসঃ

১. আপনার শিশুকে দেখার, শুনতে, অবাধে চলা এবং আপনাকে স্পর্শ করার সুযোগ দিন। আপনার বাচ্চার হাত এবং পা আলাদা আলাদা ভাবে নাড়াচাড়া করানো নিশ্চিত করা উচিত। এতে করে, ধীরে ধীরে আপনার শিশু তার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে শিখবে।

২. আপনার শিশুর চোখের দিকে তাকান এবং তার হাসির প্রতিক্রিয়ায় হাসি দিন। আপনার মুখের ভাব, গতিবিধি এবং অঙ্গভঙ্গির প্রতি আপনার সন্তান ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে কিনা খেয়াল করুন।

৩. আপনার শিশুর সাথে নরম সুরে কথা বলুন। পিতা, মা এবং অন্যান্য যত্নশীল সকলেরই নবজাতকের সাথে কথা বলা উচিত। আপনি দেখবেন যে, আপনার সন্তান কথা শুনতে পাচ্ছে, শীঘ্রই মুখস্ত করে নিচ্ছে এবং আপনাকে অনুকরণ করা শুরু করবে।

৪.  ধীরে ধীরে আপনার কণ্ঠের স্বর পরিবর্তন করুন। এটিকে আস্তে/ দ্রুত, উচ্চ / নিম্ন, বা শান্ত / তীব্র করুন। আপনার শিশুর মুখ এবং শরীরের প্রতিক্রিয়াগুলি পর্যবেক্ষণ করুন এবং তাকে আপনার সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট (ভাব বিনিময়) করার বিষয়টি খেয়াল রাখুন।

৫. আপনার বাচ্চাকে তার পেটের উপরে রাখুন এবং তার সামনে একটি ঘণ্টা নাড়ুন। আস্তে আস্তে ঘণ্টাটি কিছুটা উপরে তুলুন এবং আপনার সন্তানকে তার মাথা এবং কাঁধ তুলতে উত্সাহিত করুন। এটি আপনার শিশুকে তার চোখ দিয়ে ঘণ্টাটি অনুসরণ করতে এবং মাথা ও কাঁধ তোলার অনুশীলন করতে সহায়তা করবে।

৬. আপনার শিশুকে ধরে স্ট্রোক করুন এবং ধীরে ধীরে তাকে শান্ত করুন। দেখবেন এতে আপনার বাচ্চা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে এবং খুশি হবে।

৭. শিশুর ত্বকের সাথে আপনার ত্বকের সংযোগ করুন। আপনার উপস্থিতি, শ্রবণ এবং ঘ্রাণ আপনার সন্তানকে শান্ত করবে এবং সুরক্ষার অনুভূতি দিবে।

সুত্র – ইউনিসেফ ও অন্যান্য

Leave a Reply

×

Cart