নবজাতক ও ছোট শিশুদের গোসল (১):

নবজাতক ও ছোট শিশুদের গোসল (১):

নবজাতকের গোসল খুবই প্রয়োজনীয়। তবে জন্মের পর পরই নবজাতকে গোসল করানো উচিত নয়। জন্মের ৭২ ঘণ্টা পরই শিশুকে গোসল করানো উচিত। প্রতিদিন নিদিষ্ট সময়ে কিছু নিয়ম মেনে শিশুকে গোসল করালে কোন অসুবিধা হয় না বরং শিশু শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকে, ভালো ভাবে ঘুমাতে পারে, খাবারে রুচি আসে, মন মেজাজ ভালো থাকে। শিশুরা গোসল খুবই উপভোগ করে। তাই সে সময় শিশুর অভিবাবকের তাদেরকে উৎসাহ দেয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অভিভাবকের কিছু বিষয় জানা থাকা উচিত।

* অনেকেই জন্মের পর পরই নবজাতকে গোসল করান যার ফলে নবজাতকের শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং শিশু অসুস্থ হয়ে পরতে পারে, যা কখনই উচিত না। যদি শিশুর শরীরে অনেক ময়লা লেগে থাকে, তাহলে তা হাল্কা পানি দিয়ে মুছে দেওয়া যাবে।

* নবজাতককে প্রতিদিন গোসল করাতেই হবে এমন নয়। শিশুর বয়স দুই মাস হওয়া পর্যন্ত তাকে ২-৩ দিন পর পর গোসল করানো যায়। ২ মাস পর থেকে গ্রীষ্মকালে প্রতিদিন ও শীতকালে ২-৩ দিন পর পর শিশুকে গোসল করানো যায়।

* প্রথম দিকে নবজাতকে হাল্কা গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। এক্ষেত্রে নাভির জায়গায় পানি লাগানো যাবে না। নাভি না পরা পর্যন্ত এভাবে মুছে দিতে হবে।

* প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে গোসল করানো ভাল। সকালে রোদ্রোজ্জল সময় (১০টা-১২টা) এর মধ্যে গোসল করানো ভালো।

* অনেকে গোসলের আগে শিশুকে সরিষার তেল মেখে রোদে রেখে দেয়, যা অনুচিত। কারণ সরিষা তেল ঝাঁঝালো ও গন্ধযুক্ত এতে “Allyl Isothiocyanate – এলেল আইসোথায়োসায়োনেট” নামক রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা নবজাতকের জন্য ক্ষতিকর। তবে বেবি অয়েল বা অলিভ অয়েল দেয়া যেতে পারে তবে বেশিক্ষণ খালি গায় রাখা যাবে না, এতে শিশুর ঠাণ্ডা লাগার ভয় থাকে।

Leave a Reply

×

Cart